Very Recent Posts

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ক্লাস চলাকালীন গুরুতর অসুস্থ ত্রিপুরার শিক্ষিকা রোডেলা, হাসপাতালে ভর্তি

ক্লাস চলাকালীন গুরুতর অসুস্থ ত্রিপুরার শিক্ষিকা রোডেলা, হাসপাতালে ভর্তি

বিদ্যালয়ে আতঙ্ক, শিক্ষার্থীদের ক্লাস সাময়িক স্থগিত ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ক্লাস চলাকালীন হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এক শিক্ষিকা। অসুস্থ শিক্ষিকার নাম রোডেলা (Rodella)। ঘটনাটি ঘটে ত্রিপুরার একটি বিদ্যালয়ে পাঠদানের সময়। আকস্মিক এই ঘটনায় বিদ্যালয়জুড়ে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিক্ষিকা রোডেলা স্বাভাবিকভাবেই ক্লাস নিচ্ছিলেন। শুরুতে তার আচরণ বা শারীরিক অবস্থায় তেমন কোনো অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়নি। তবে ক্লাস চলাকালীন একপর্যায়ে হঠাৎ তিনি অসুস্থতা অনুভব করতে শুরু করেন। ক্লাসের মাঝখানে তিনি শিক্ষার্থীদের জানান যে তার মাথা ঘোরাচ্ছে এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থা আরও অবনতি ঘটে। হঠাৎ করে তিনি দুর্বল হয়ে পড়েন এবং শ্রেণিকক্ষেই অসুস্থ হয়ে বসে পড়েন। বিষয়টি বুঝতে পেরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৎক্ষণাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু শিক্ষার্থী ভয় পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং কেউ কেউ দ্রুত পাশের ক্লাসে গিয়ে সহকর্মী শিক্ষকদের খবর দেয়। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক, কর্মচারী এবং কর্তৃপক্ষ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা প্রথমে শিক্ষিকা রোডেলাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন এবং প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি যানবাহনের মাধ্যমে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষিকা রোডেলার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চিকিৎসকদের ধারণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত শারীরিক চাপ, মানসিক চাপ, রক্তচাপের সমস্যা কিংবা হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিকে হঠাৎ এমন ঘটনায় পুরো বিদ্যালয়জুড়ে উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের মানসিক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে ওই সময়ের জন্য ক্লাস সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বিষয়টি অবহিত করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, “শিক্ষিকা রোডেলা আমাদের বিদ্যালয়ের একজন দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ শিক্ষক। ক্লাস চলাকালীন এমন একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় আমরা সবাই গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য আমরা সবার কাছে দোয়া কামনা করছি।” ঘটনার খবর দ্রুত বিদ্যালয়ের বাইরে ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যেও উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়। অনেক অভিভাবক বিদ্যালয়ে এসে তাদের সন্তানদের খোঁজখবর নেন। কেউ কেউ হাসপাতালে গিয়ে শিক্ষিকা রোডেলার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। স্থানীয়দের মতে, শিক্ষকরা প্রায়ই অতিরিক্ত কাজের চাপ ও মানসিক চাপে ভোগেন। নিয়মিত ক্লাস, প্রশাসনিক কাজ এবং অন্যান্য দায়িত্ব পালনের কারণে অনেক সময় তারা নিজের স্বাস্থ্যের দিকে যথাযথ নজর দিতে পারেন না। এই ঘটনাটি শিক্ষকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। শিক্ষার্থী ও সহকর্মীরা শিক্ষিকা রোডেলার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছেন। অনেক শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার জন্য শুভকামনা ও দোয়ার বার্তা প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত কর্মী থাকা অত্যন্ত জরুরি, যাতে এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, শিক্ষিকা রোডেলা বর্তমানে চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে রয়েছেন এবং তার শারীরিক অবস্থার ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। তার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে উপস্থিত রয়েছেন। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় পুরো ত্রিপুরাবাসীসহ শিক্ষা মহলে শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে। সবাই আশাবাদী, দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও শিক্ষিকা রোডেলা শ্রেণিকক্ষে ফিরে আসবেন।

৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

Top 5 Free Online Tools for Bangladeshi Students in USA 2026

Top 5 Free Online Tools for Bangladeshi Students in USA 2026

Studying in the USA as a Bangladeshi student can be exciting, but it also comes with challenges. From managing assignments to staying organized and productive, students often need reliable tools to make their academic life easier. Here are the top 5 free online tools every Bangladeshi student in the USA should try in 2026. 1. Grammarly – Perfect Writing Assistant
Grammarly is a must-have for students who want to improve their writing. It checks grammar, spelling, punctuation, and even suggests better vocabulary. Why it’s useful: Helps you write essays, emails, and assignments without mistakes. How to use: Sign up for a free account → Install browser extension → Start typing. Tip: The free version is enough for most students. 2. Canva – Easy Graphic Design Canva is a user-friendly platform for designing presentations, posters, social media posts, and more. Why it’s useful: Students can create visually appealing assignments or project slides easily. How to use: Sign up for free → Choose a template → Customize → Download. Bonus: No prior design experience is needed! 3. Google Keep – Notes & Organization Google Keep is perfect for keeping track of notes, reminders, and tasks. Why it’s useful: Organize study materials, create checklists, and sync across devices. How to use: Sign in with your Google account → Add notes and labels → Access anytime on any device. Tip: Color-code notes to quickly find important tasks. 4. Quizlet – Study Flashcards Quizlet helps students learn faster through digital flashcards and quizzes. Why it’s useful: Memorize terms, definitions, formulas, and more efficiently. How to use: Create a free account → Search or make your own flashcards → Start studying. Bonus: Join classes or study sets shared by other students. 5. Trello – Project Management for Students Trello is an online tool to organize projects and tasks visually using boards, lists, and cards. Why it’s useful: Perfect for group projects, assignments, or personal study planning. How to use: Sign up for free → Create a board → Add lists and tasks → Track progress easily. Tip: Use checklists in cards to stay on top of assignments. Conclusion These 5 tools can make your life as a Bangladeshi student in the USA much easier. Whether you want to write better, design slides, stay organized, memorize faster, or manage projects, these free tools have got you covered.

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬

🔴 গাজায় পানি সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে

🔴 গাজায় পানি সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে

গাজা উপত্যকায় পানি সংকট দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। চলমান সংঘাত, দীর্ঘদিনের অবরোধ এবং অবকাঠামোগত ধ্বংসের কারণে বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকটে পড়েছে এই অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ। নিরাপদ পানির অভাবে গাজায় এক ভয়ংকর মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দা, চিকিৎসক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো। লাইভ পরিস্থিতি অনুযায়ী, গাজার অধিকাংশ পানির পাইপলাইন ও পাম্পিং স্টেশন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বহু এলাকায় পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে পানি শোধনাগারগুলো কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। ফলে নিরাপদ পানির বিকল্প উৎস না থাকায় সাধারণ মানুষ বাধ্য হয়ে দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহার করছে। স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গাজার ভূগর্ভস্থ পানির বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহার অনুপযোগী। সাম্প্রতিক সংঘাতের ফলে সেই সংকট আরও গভীর হয়েছে। সমুদ্রের লবণাক্ত পানি ভূগর্ভস্থ পানিতে মিশে যাওয়ায় বিশুদ্ধ পানির স্বাভাবিক উৎস প্রায় ধ্বংসের মুখে পড়েছে। লাইভ ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, গাজার বিভিন্ন এলাকায় মানুষ পানির জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। নারী ও শিশুরা হাতে বোতল, বালতি ও জেরিক্যান নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছে। অনেক সময় সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকেও তারা পর্যাপ্ত পানি পাচ্ছে না। কেউ কেউ দিনে মাত্র দুই থেকে তিন লিটার পানিতে পুরো পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে বাধ্য হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, পানি সংকট তাদের দৈনন্দিন জীবনকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। রান্না, গোসল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এমনকি পান করার পানিও এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক পরিবার দিনের পর দিন একই পানি পুনঃব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে, যা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
গাজার হাসপাতালগুলো জানিয়েছে, পানিবাহিত রোগের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। ডায়রিয়া, টাইফয়েড, চর্মরোগ ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের মধ্যে ডিহাইড্রেশনের হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। চিকিৎসকরা সতর্ক করে বলেছেন, পর্যাপ্ত বিশুদ্ধ পানি না পেলে এই সংকট প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে। লাইভ মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, অনেক হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পানি না থাকায় চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপারেশন থিয়েটার, জরুরি বিভাগ এবং রোগী পরিষেবায় মারাত্মক সমস্যা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পানি সংকট অব্যাহত থাকলে চিকিৎসা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়তে পারে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, গাজায় পানি সংকট এখন আর শুধু একটি অবকাঠামোগত সমস্যা নয়—এটি একটি পূর্ণাঙ্গ মানবিক জরুরি অবস্থায় পরিণত হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, বিশুদ্ধ পানি মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু গাজায় সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা লাইভ বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবরোধ ও সহায়তা প্রবেশে বাধার কারণে পানি সংকট আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। জ্বালানি সরবরাহ না থাকায় পানি শোধনাগার চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সংকট নিরসনে দ্রুত আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন বলে তারা জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি অবিলম্বে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা মেরামত না করা হয় এবং মানবিক সহায়তা প্রবেশ নিশ্চিত না করা হয়, তাহলে এই সংকট দীর্ঘমেয়াদি বিপর্যয়ে রূপ নেবে। এতে একটি পুরো প্রজন্ম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। লাইভ বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, পানি সংকটের প্রভাব খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপরও পড়ছে। পানি না থাকায় কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, ফলে খাদ্য সংকট আরও গভীর হচ্ছে। একই সঙ্গে স্যানিটেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে গেছে। গাজার মানুষ এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দিকে তাকিয়ে আছে। তাদের দাবি খুব সাধারণ—নিরাপদ পানি, চিকিৎসা এবং বেঁচে থাকার ন্যূনতম অধিকার। অনেকেই বলছেন, পানি ছাড়া জীবন কল্পনা করা যায় না, অথচ গাজায় সেই জীবনটাই এখন হুমকির মুখে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে গাজার পানি সংকট একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই পারে এই সংকট কিছুটা হলেও লাঘব করতে। 🔴 এই মুহূর্তের সর্বশেষ লাইভ আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের সাথেই।

১৮ জানুয়ারি, ২০২৬

এবার ভিন্ন রূপে কেয়া পায়েল!

এবার ভিন্ন রূপে কেয়া পায়েল!

সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের পরিচিত মুখ কেয়া পায়েল সম্প্রতি নতুন রূপে দর্শকের সামনে হাজির হয়েছেন। তার সাম্প্রতিক কাজ ও উপস্থিতি ঘিরে বিনোদন অঙ্গনে তৈরি হয়েছে নতুন আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে নির্দিষ্ট একটি ইমেজে পরিচিত এই অভিনেত্রী এবার ভিন্নধর্মী চরিত্র ও উপস্থাপনায় নিজেকে তুলে ধরছেন, যা দর্শক ও সমালোচকদের নজর কেড়েছে। কেয়া পায়েল মূলত শর্ট ভিডিও, রিলস এবং বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তার স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় ও সাবলীল উপস্থিতি তাকে দ্রুতই দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি যে ধরনের কাজ বেছে নিচ্ছেন, তা আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিণত ও বৈচিত্র্যময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র মতে, কেয়া বর্তমানে একটি নতুন ওয়েব সিরিজ/মিউজিক ভিডিও প্রকল্পে কাজ করছেন, যেখানে তাকে একেবারে ভিন্ন লুকে দেখা যাবে। আগের কাজগুলোতে তাকে বেশি দেখা যেত হালকা রোমান্টিক বা গ্ল্যামারাস চরিত্রে। কিন্তু নতুন প্রকল্পে তিনি তুলনামূলকভাবে গভীর আবেগের, বাস্তবধর্মী ও চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করছেন। শুধু পোশাক বা সাজসজ্জাতেই নয়, অভিনয়ের ধরনেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। তার সংলাপ বলার ভঙ্গি, দৃশ্যের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং আবেগ প্রকাশের ধরন আগের তুলনায় অনেক বেশি পরিশীলিত বলে মন্তব্য করেছেন কয়েকজন নির্মাতা ও সহশিল্পী।
বিনোদন বিশ্লেষকদের মতে, একজন শিল্পীর জন্য নতুন ধরনের চরিত্রে কাজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একঘেয়ে ইমেজে আটকে থাকলে তার সৃজনশীল বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। সেই দিক থেকে কেয়ার এই পরিবর্তন তার ক্যারিয়ারের জন্য ইতিবাচক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কেয়ার পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার সাম্প্রতিক কাজগুলো দেখে অনেকেই ধারণা করছেন, তিনি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাইছেন এবং ভবিষ্যতে আরও বৈচিত্র্যময় চরিত্রে দেখা যেতে পারে। সব মিলিয়ে, কেয়া পায়েলের এই নতুন রূপ বিনোদন অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দর্শকরা এখন অপেক্ষায় আছেন—তার এই পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদে কতটা সফল হবে এবং তিনি ভবিষ্যতে কী ধরনের কাজ নিয়ে সামনে আসেন।

১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

গুম ও খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিয়ে বিএনপির সভা

গুম ও খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিয়ে বিএনপির সভা

গুম ও খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে “মায়ের ডাক” শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় আহত পরিবারগুলোকে সমর্থন জানানো হয়েছে এবং তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিএনপি পরিবার ও মায়ের ডাক-এর নেতারা বলেন, “এ ধরনের সহিংসতা ও নিপীড়ন সমাজে সহনশীলতা ও শান্তি নষ্ট করছে।

আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকবো এবং তাদের কণ্ঠস্বর বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেব।সভায় পরিবারগুলো তাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন এবং দেশের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য দাবি জানান।

ঢাকা: গুম ও খুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পাশে দাঁড়াতে বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে “মায়ের ডাক” শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় আহত পরিবারগুলোকে সমর্থন জানানো হয়েছে এবং তাদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

জবির জগন্নাথ নামটি ভারতীয় হিন্দু দেবতার নামে নাম

জবির জগন্নাথ নামটি ভারতীয় হিন্দু দেবতার নামে নাম

মোনামি যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের  সাথে ভারতীয় আধিপত্যবাদ মিশিয়ে 'লেমন মিল্কশেক' বানিয়ে খাওয়াচ্ছেন - সেটা আদতে একটা অকৃতজ্ঞতা, নিমকহারামি। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কোনো সরকারি অনুদান বা সম্পদের উপর দাঁড়ায়নি। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একজন ব্যাক্তির দান করা সম্পদের উপর দাঁড়িয়েছে, এবং এত বছর ধরে জ্ঞান বিতরণে ভূমিকা রাখছে। 

সেই জ্ঞান অর্জন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাতার নাম মুছে দেয়া শুধু অকৃতজ্ঞতা এবং নিমকহারামি নয়। 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আদি প্রতিষ্ঠান (জগন্নাথ স্কুল ও কলেজ) স্থাপনে মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন কিশোরীলাল রায় চৌধুরী।

কিশোরীলাল রায় চৌধুরী ছিলেন তৎকালীন বালিয়াটির (মানিকগঞ্জ) জমিদার। তিনি শিক্ষার প্রসারে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন।

১৮৫৮ সালে এটি প্রথমে 'ঢাকা ব্রাহ্ম স্কুল' নামে শুরু হয়,  ১৮৭২ সালে তিনি তাঁর পিতা জগন্নাথ রায় চৌধুরীর নামে এর নামকরণ করেন 'জগন্নাথ স্কুল', পরবর্তীতে কলেজে এবং সবশেষে ২০০৫ সালে বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়।


জামায়াত আমিরের বৈঠক নিয়ে যা বললেন ভারত

জামায়াত আমিরের বৈঠক নিয়ে যা বললেন ভারত

 

জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ভারতের একজন কূটনীতিকের বৈঠক বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছিল গত বছরের শেষ দিকে